বগুড়ায় অসুস্থতার কারণে বহিস্কৃত এনসিপি নেতা তানভীরের জামিন শুনানি এগোলো

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৯:৩৯ ।
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে বার।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অব্যাহতিপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের জামিন আবেদনের শুনানির তারিখ আট দিন এগিয়ে এনেছেন আদালত।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা তানভীরের জামিন শুনানি হওয়ার কথা ছিল আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ সেপ্টেম্বর এ শুনানি হবে।

 

সোমবার দুপুরে বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৫ কৌশিক খন্দকারের আদালত এ আদেশ দেন।

 

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৭ আগস্ট বগুড়া সদর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানভীরের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি মিস কেস করেন তাঁর আইনজীবীরা। তখন শুনানির জন্য ৯ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তবে তানভীরের শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি উল্লেখ করে সোমবার শুনানির তারিখ এগিয়ে নিতে বিশেষ পিটিশন দেন তাঁর আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইজাজ আল ওয়াসী। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

 

ইজাজ আল ওয়াসী বলেন, তানভীর প্যানিক ডিজঅর্ডার, মাথাব্যথা ও সারভিক্যাল স্পন্ডাইলোসিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। এর আগে তিনি দুইবার আইসিইউতে চিকিৎসা নিয়েছেন।

 

 তাঁর দাবি, গত ১৫ আগস্ট কারাগারে থাকা অবস্থায় তানভীর ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরে তাঁকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তানভীরের বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় দ্রুত জামিন শুনানির প্রয়োজন রয়েছে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই শুনানির আবেদন করা হয়েছিল।

 

তবে বগুড়া জেলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার মোছা. রুকাইয়া পারভীন ব্রেন স্ট্রোকের তথ্যটি নাকচ করেছেন। তিনি বলেন, তানভীর অসুস্থ বোধ করার পাশাপাশি হাত-পা অবশ হয়ে আসার কথা জানালে কারা চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে তাঁকে কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়।

 

 

গত ৫ আগস্ট ভোরে ঢাকার মিরপুরের মনিপুরী পাড়ার একটি বাসা থেকে তানভীরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিনই তাঁকে বগুড়ার আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। পরে তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড চাইলেও আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।