বগুড়ায় মসলা আমদানীকারক ও ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময় ও সংবর্ধনা

বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে বার।

মঙ্গলবার রাতে বগুড়া শহরের স্থানীয় একটি হোটেলের কনফারেন্স রুমে বগুড়া জেলা মসলা আমদানীকারক ও ব্যবসায়ি সমিতির আয়োজনে মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জেলা মসলা আমদানীকারক ও ব্যবসায়ি সমিতির থেকে বগুড়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রস্ট্রির নির্বাচনে নব—নিবাচিত সভাপতি, সহ সভাপতি, পরিচালক, জেলা পরিষদ প্রশাসক এবং বগুড়া সিটি কর্পোরেশন এর প্রশাসকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা মসলা আমদানীকারক ও ও ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি পরিমল প্রসাদ রাজ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মহিদুর রহমান শনম। মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্ঠার বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ¦ মুনসুর আলম। এসময় আরও বক্তব্য রখেন বগুড়া সিটি কর্পোরেশন এর প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির, বগুড়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রষ্ট্রি’র সভাপতি আতিকুর রহমান বাদল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রষ্ট্রি্র’র নব—নিবাচিত সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, মাহমুদুর রহমান শিপন, পরিমল চন্দ্র দাস, এস এম নুর ই আলম সিদ্দিকী পল্লব, শফিকুল হোসেন খোকন, রাশেদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ ইন নবী সালাম ও কে এম খায়রুল বাশার, সাবেক কাউন্সিলর তৌহিদুর রহমান বিটু, সাবেক কাউন্সিল রোস্তম আলী,গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম পিন্টু প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন এর প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, বগুড়ার উন্নয়নে সকল কিছুই করা হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ার পাশাপাশি দেশেরও উন্নয়ন কাজ করে যাবেন। সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব বগুড়া সিটিকে যানজটমুক্ত ও পরিস্কার—পরিচ্ছন্ন রাখা। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হচ্ছে। 

তিনি বগুড়া সিটি কে একটি তিলোত্তমা সিটিতে পরিণত করতে চায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বগুড়ার প্রতি তাঁর সব সময় সু—নজর রয়েছে। উত্তরঞ্চলের প্রবেশদ্বার বগুড়া মসলা আমদানীর বৃহত্তম একটি মার্কেট। এখান থেকে বিভিন্ন জেলায় ব্যবসা পরিচালনা হয়ে থাকে। 

আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশে প্রচলিত মসলার তালিকাতে বিভিন্ন ধরনের মসলা অন্তভ’ক্ত রয়েছে। যে গুলো দক্ষিণ ও দক্ষিণ—পূর্ব এশিয়ায় জন্মে। এদের মধ্যে অনেক মসলা অন্তর্ভুক্ত আছে যেগুলোর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশ নয় বরং অন্য কোনো অঞ্চলে। আর বিভিন্ন সময়ে সেগুলো এ অঞ্চলের সমভাবাপন্ন জলবায়ু এলাকায় আনা হয় এবং বর্তমানে স্থানীয় ভাবে বহুবছর ধরে চাষ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ তালিকায় প্রায় ৫০টির মতো মসলা প্রচলিত আছে।