কাজ করতে গিয়ে সরকারি সম্পদ নষ্টের প্রয়োজন নেই : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৮:২৭ ।
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে বার।

অতি উৎসাহী হয়ে কোনো কাজ করতে গিয়ে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট না করার অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

 

আজ শুক্রবার বগুড়া শহরের শাকপালা সিএন্ডবি পার্ক পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ার মাটি ও মানুষকে তার হৃদয়ে ধারণ করেন সেটি প্রমাণ করেছেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসন পার্কের উন্নয়নের জন্য সড়ক ও জনপথের কাছে চিঠি দিলে তারা সেই সময় অর্থ সংকটে কাজ করতে পারেনি। আমি সড়ক ও যোগাযোগ সেতু মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। এখন থেকে এই পার্কের দায়িত্ব সড়ক ও জনপথের। আজকে তার কাগজপত্র হস্তান্তর করা হলো।

 

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পার্কের উন্নয়নে কি পরিমাণ ব্যয় হবে সেটি সড়ক ও জনপথ নির্ধারণ করবে। তবে আমি তাদের বলব এখানে যেন নিম গাছের আধিক্য থাকে।

 

বগুড়া সিএন্ডবি পার্ক’ নামে খ্যাত এই স্থানটি শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা থেকে ৩.৬ কিলোমিটার দূরে ফুলতলা ও শাকপালার মাঝামাঝি নট্রামস ইন্সটিটিউটের সামনে অবস্থিত। এটির একপাশ দিয়ে চলে গেছে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক, অন্যপাশ দিয়ে বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক। ত্রিভুজ আকৃতির এই পার্কটি ২০০৪ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়। পার্কে পুকুর, ছাতা ও বেঞ্চ বসানো হয়েছে। 

 

এ ছাড়াও পার্কে হাঁটার জন্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়। সেখানে একটি ফলকও ছিল। শাকপালা ইন্টারসেকশনটি শাজাহানপুর উপজেলার শাকপালা মৌজার ৭.৪ একর জমির ওপর করা রয়েছে।

 

শাকপালার সিএন্ডবি পার্ক পরিদর্শন শেষে মীর শাহে আলম মহাস্থানের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সেখানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের জন্য জমি নির্ধারণ ও পরিদর্শন করবেন। এরপর নিজ সংসদীয় এলাকা শিবগঞ্জে আলিয়ার হাট সুইস গেট পরিদর্শন এবং মসজিদ, মন্দিরের অনুদানের চেক বিতরণ করবেন।

 

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে গড়ে ওঠা শাকপালা পার্কটি একসময় এলাকাবাসীর অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র ছিল। তবে শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থেকে পার্কটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।