নাটোরে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্প সফলভাবে এগোচ্ছে
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য ও নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী শিক্ষিত যুবদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিচালিত “দেশের ৪৮ জেলায় শিক্ষিত যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি”-এর আওতায় নাটোর জেলায় চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির প্রশিক্ষক মোঃ কায়ছারুল ইসলাম।
পরিদর্শনকালে তিনি নাটোরে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন। এ সময় জানানো হয়, এ কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে চারটি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে পঞ্চম ব্যাচের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি সম্পন্ন হওয়া ব্যাচের ৪০ জন এবং চলমান ব্যাচের আরও ৫ জনসহ মোট প্রায় ৪৫ জন প্রশিক্ষণার্থীর সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের কাছে জানতে চান—প্রকল্পটি বাস্তবে কতটা কার্যকর, বেকার যুবসমাজ কতটা উপকৃত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এই প্রশিক্ষণ কর্মসংস্থানে কী ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তারা বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে সক্ষম হচ্ছেন, যা তাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। অনেকেই ইতোমধ্যে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে নিয়মিত আয় করছেন বলে জানান।
সফল প্রশিক্ষণার্থীদের অভিজ্ঞতা শুনে সন্তোষ প্রকাশ করে মোঃ কায়ছারুল ইসলাম বলেন, এই প্রকল্প থেকে দক্ষ ও সফল ফ্রিল্যান্সার তৈরি হওয়া প্রমাণ করে যে, এটি সরকারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী সফল ও স্বাস্থ্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশিক্ষণার্থীদের ইতিবাচক সাড়া ও সন্তুষ্টি ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও উন্নত প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান মোঃ রাজু আহমেদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ মাসুদুর রহমান, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের সমন্বয়ক মোঃ সজিব শেখসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, নাটোরে পরিচালিত এই ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্পটি বেকার যুবসমাজের জন্য আশার আলো হয়ে উঠেছে এবং দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।